কে বোঝে কৃষ্ণের অপার লীলে
কে বোঝে কৃষ্ণের অপার লীলে শুনি ব্রজ ছাড়া তিলার্ধ নয়, কে মথুরায় রাজা হলে ।। কৃষ্ণ রাঁধা ছাড়া নয় ভারত পুরানে তাই কয় তবে
কে বোঝে কৃষ্ণের অপার লীলে শুনি ব্রজ ছাড়া তিলার্ধ নয়, কে মথুরায় রাজা হলে ।। কৃষ্ণ রাঁধা ছাড়া নয় ভারত পুরানে তাই কয় তবে
কে বুঝতে পারে সাঁইয়ের কুদরতি অগাধ জলের মাঝে জ্বলছে বাতি ।। বিনা কাষ্টে অনল জ্বলে জল রয়েছে বিনা স্থলে আখের হবে জলানলে প্রলয় অতি
কে বুঝতে পারে কুদরতি আপনি জাগে আপনি ঘরে আপনি চোর অশেষ প্রতি ।। গগনের চাঁদ গগনে রয় ঘটে পটে তার জ্যোতির্ময় অমনি জেন খোদ
কে বানালো এমন রঙমহলখানা হাওয়া দমে দেখ তারে আসল বেনা ।। বিনা তেলে জ্বলে বাতি দেখতে যেমন মুক্তা মতি জলময় তার চতুর্ভিতি মধ্যে থানা
কে পারে মক্করউল্লার মক্কর বুঝিতে আহাদ আহাম্মদ নাম হয় জগতে ।। আহাম্মদ নাম খোদায় মিম হরফে নফি সে হয় মিম উঠায়ে দেখ সবায় কী
কে দেখেছ গৌরাঙ্গচাঁদেরে সে চাঁদ গোপীনাথ মন্দিরে গেল আর তো এল না ফিরে ।। যার জন্য কুলমান গেল সে আমারে ফাঁকি দিল কলঙ্কে জগত রটিল
কে তোমারে এ বেশ –ভূষণ পরাইল বল শুনি জিন্দা দেহে মুরদার বসন খিরকা তাজ আর ডোর-কোপিনী ।। জ্যান্তে মরার পোষাক পরা আপন ছুরাত আপনি
কে তাহারে চিনতে পারে এসে মদিনায় তরিক জানায় এ সংসারে ।। যারে বলি নবী নবী নবীকে নিরঞ্জন ভাবি দেল ঢুঁড়িলে জানতে পাবি আহম্মদ নাম
কে গো জানবে তারে সামান্যেরে আজব মীন রূপে সাঁই খেলছে নীরে ।। জগৎজোড়া মীন অবতার কারণ্য বারির মাঝার বুঝে কালাকাল, বাঁধিলে বান্ধাল অনায়াসে সে
কে কথা কয় রে দেখা দেয় না রে নড়ে চড়ে হাতের কাছে খুঁজলে জনমভর মেলে না ।। খুঁজি যারে আসমান জমি আমারে চিনি না