খোদে খোদার প্রেমিক যে জনা

খোদে খোদার প্রেমিক যে জনা মুর্শিদের রূপ হৃদয় রেখে কর ভজনা ।।   আগে চায় রুপটি চেনা তবে যাবে খোদাকে জানা মুর্শিদকে না চিনলে পরে হবে না তোর ভজনা ।।   আগে মনকে নিষ্ঠা কর নবি নামের মালা গাঁথ অহর্নিশি চেতন থাক কর কাল – যাপনা ।।   সিরাজ সাঁইজির চরণ ভুলে অধীন লালন কেঁদে বলে চরণ পাই যেন অন্তিমকালে আমায় ফেল না ।।

বিস্তারিত »

খেলছে মানুষ নীরে ক্ষীরে

খেলছে মানুষ নীরে ক্ষীরে আপন আপন ঘর খোঁজ কেন হাতড়ে বেড়াও কালের ঘোরে ।।   নীরসিন্ধু গভীর অতিশয় ডুবলে কত আজব কান্ড দেখা যায় নীরের ভান্ড পুরা ব্রহ্মাণ্ড  কান্ড বলতে নয়ন ঝরে ।।   শূন্য দেশে হয় মেঘের উদয় নীরদ বিন্দু বারি বরিশন তায় ফলছে কত ফল রঙ বেরঙের হল আজব কুদরতি ফল ভাবের ঘরে ।।   ইন্দ্র ডংকা নাহি সে রাজ্যে সহজ মানুষ ফেরে সহজে সিরাজ সাঁইর বচন মিথ্যা

বিস্তারিত »

খাকি আদমের ভেদ পশু কি বোঝে

খাকি আদমের ভেদ পশু কি বোঝে আদমের ক্বলবে খোদা খোদ বিরাজে ।।   আদম শরীর আমার ভাষায় বলেছে অধর সাঁই নিজে নইলে কি তায় আদমকে সেজদা ফেরেস্তায় সাজে ।।   শুনি আজাজিল খাসতন খাকে আদমতন গঠন গঠেছে সে সেই আজাজিল শয়তান হল আদম না ভজে ।।   আব আতস খাক বাত ঘর গঠেছেন জান মালেক মোক্তার সাঁই নিজে  লালন বলে এ ভেদ জানলে সব জানে সে যে ।।

বিস্তারিত »

খাঁচার ভিতর অচিন পাখি ক্যামনে আসে যায়

খাঁচার ভিতর অচিন পাখি ক্যামনে আসে যায় ধরতে পারলে মনবেড়ি দিতাম পাখির পায়ে ।।   আট কুঠুরি নয় দরজা আঁটা মধ্যে মধ্যে ঝরকা কাটা তার উপরে সদর কোঠা  আয়নামহল তায়।।   কপালের ফ্যার নইলে কি আর পাখিটির অমন ব্যবহার খাঁচা ছেড়ে পাখি আমার কোন বনে লুকায় ।।   মন তুই রইলি খাঁচার আশে খাঁচা যে তোর কাঁচা বাঁশে কোনদিন খাঁচা পড়বে ধসে লালন ফকির কয় ।।

বিস্তারিত »

কে বোঝে কৃষ্ণের অপার লীলে

কে বোঝে কৃষ্ণের অপার লীলে শুনি ব্রজ ছাড়া তিলার্ধ নয়, কে মথুরায় রাজা হলে ।।   কৃষ্ণ রাঁধা ছাড়া নয় ভারত পুরানে তাই কয় তবে কেন ধনী দুর্জয় বিচ্ছেদে জগত জানালে ।।   নিগুম খবর জানা গেল কৃষ্ণ হতে রাঁধা হল তবে কেন এরূপ বল আগে রাঁধা পাছে কৃষ্ণ বলে ।।    সবে বলে অটল হরি সে কেন হয় দণ্ডধারী কিসের অভাব তাঁরই ঐ ভাবনা ভেবে ঠিক না মেলে ।।

বিস্তারিত »

কে বুঝতে পারে সাঁইয়ের কুদরতি

কে বুঝতে পারে সাঁইয়ের কুদরতি অগাধ জলের মাঝে জ্বলছে বাতি ।।   বিনা কাষ্টে অনল জ্বলে জল রয়েছে বিনা স্থলে আখের হবে জলানলে প্রলয় অতি ।।   অনলে জল গরম হয় না জলে সে আগুন নেভে না এমনি সে কুদরতি কারখানা দিবারাতি ।।   যেদিন জলে ছাড়বে হুংকার নিভে যাবে আগুনের ঘর লালন বলে সে দিন বান্দার কী হয় গতি ।।

বিস্তারিত »

কে বুঝতে পারে কুদরতি

কে বুঝতে পারে কুদরতি আপনি জাগে আপনি ঘরে আপনি চোর অশেষ প্রতি ।।   গগনের চাঁদ গগনে রয় ঘটে পটে তার জ্যোতির্ময় অমনি জেন খোদ খোদা হয় অনন্তরূপ আকৃতি ।।   নিরূপ বটে সেহি খোদা অনেক তাই বলে সদা আহম্মদের কে বা নামের সৃষ্টি হল উৎপত্তি ।।   আদমের কালেবের মাঝে হায়াত রূপ কে বিরাযে লালন বলে তাই না বুঝে আজাজিলের দুর্গতি ।। 

বিস্তারিত »

কে বানালো এমন রঙমহলখানা

কে বানালো এমন রঙমহলখানা হাওয়া দমে দেখ তারে আসল বেনা ।।   বিনা তেলে জ্বলে বাতি  দেখতে যেমন মুক্তা মতি জলময় তার চতুর্ভিতি মধ্যে থানা ।।   তিল পরিমান জায়গা সে যে হদ্দ রূপ তাহার মাঝে কালায় শোনে আঁধলায় দেখে ন্যাংড়ার নাচনা ।।   যে গড়েছে এ রঙমহল না জানি তার রূপটি কেমন সিরাই সাঁই কয় নাই রে লালন তার তুলনা ।। 

বিস্তারিত »

কে পারে মক্করউল্লার মক্কর বুঝিতে

কে পারে মক্করউল্লার মক্কর বুঝিতে আহাদ আহাম্মদ নাম হয় জগতে ।।   আহাম্মদ নাম খোদায় মিম হরফে নফি সে হয় মিম উঠায়ে দেখ সবায় কী হয় তাতে ।।   আকারে হয়ে জুদা খোদা সে বলে খোদা দিব্যজ্ঞানী নইলে কিতা কে পায় জানতে ।।   কুলহু আল্লা ছুরাই তার ইশারায় আছে বিচার লালন বলে দেখ না এবার দিন থাকিতে ।।

বিস্তারিত »

কে দেখেছ গৌরাঙ্গচাঁদেরে

কে দেখেছ গৌরাঙ্গচাঁদেরে সে চাঁদ গোপীনাথ মন্দিরে গেল আর তো এল না ফিরে ।। যার জন্য কুলমান গেল সে আমারে ফাঁকি দিল কলঙ্কে জগত রটিল লোকে বলবে কি আজ আমারে ।। দরশনে দুঃখ হরে পরশিলে পরশ করে হেন চন্দ্র গৌরাঙ্গ লুকালো কোন শহরে ।। যে গৌর সেই গৌরাঙ্গ হৃদমাঝারে আছে গৌরাঙ্গ লালন বলে হেন সঙ্গ হল না কর্মের ফ্যারে ।।

বিস্তারিত »

কে তোমারে এ বেশ –ভূষণ পরাইল বল শুনি

কে তোমারে এ বেশ –ভূষণ পরাইল বল শুনি জিন্দা দেহে মুরদার বসন খিরকা তাজ আর ডোর-কোপিনী ।।   জ্যান্তে মরার পোষাক পরা আপন ছুরাত আপনি সারা ভব-রোগকে ধ্বংস করা দেখে অসম্ভব করণী ।।   মরণের আগে যে মরে শোমনে ছোঁবে না তারে শুনেছি সাধুর দ্বারে তাই বুঝি করেছ ধনী ।।   সেজেছ সাজ ভালই তর মরে যদি বা৬চতে পার লালন বলে যদি ফের দুকূল হবে অপমানি ।।

বিস্তারিত »

কে তাহারে চিনতে পারে 

কে তাহারে চিনতে পারে  এসে মদিনায় তরিক জানায় এ সংসারে ।।   যারে বলি নবী নবী  নবীকে নিরঞ্জন ভাবি দেল ঢুঁড়িলে জানতে পাবি আহম্মদ নাম হল কি করে ।।   যার মর্ম সে না যদি কয় সাধ্য কার কে জানিতে পায় তাইতে আমার দীন দয়াময় মানুষরূপে ঘোরে ফেরে ।।   নফি এজবাত যে জানে না  মিছে রে তার পড়াশুনা লালন কয় ভেদ উপাসনা না বুঝে চটকে মারে ।। 

বিস্তারিত »

কে গো জানবে তারে সামান্যেরে

কে গো জানবে তারে সামান্যেরে আজব মীন রূপে সাঁই খেলছে নীরে ।।   জগৎজোড়া মীন অবতার কারণ্য বারির মাঝার বুঝে কালাকাল, বাঁধিলে বান্ধাল অনায়াসে সে মীন ধরতে পারে ।।   আজব লীলা মানুষ গঙ্গায় আলোর উপর জলময় যেদিন শুকাবে জল, হবে সব বিফল মীন পালাবে শূন্যভরে ।।   মানুষ গঙ্গা গভীর অথৈ থৈ তথায় দিলে থায় রসিক ভাই সিরাজ সাঁইর বচন, কহিছে লালন চুবনি খেলাম নেমে সেই কিনারে ।।

বিস্তারিত »

কে কথা কয় রে দেখা দেয় না রে

কে কথা কয় রে দেখা দেয় না রে নড়ে চড়ে হাতের কাছে খুঁজলে জনমভর মেলে না ।।   খুঁজি যারে আসমান জমি আমারে চিনি না আমি এ বিষম ভ্রমে ভ্রমি সে কোনজন আমি কোনজনা ।।   রাম রহম বলছে যে জন ক্ষিতি-জল কি বায়-হুতাশন শুধালে তার  অন্বেষণ মূর্খ বলে কেউ বলে ।।   হাতের কাছে হয় না খবর কি দেখতে যাও দিল্লি লাহোর সিরাজ সাঁই কয় লালন রে তোর সদাই

বিস্তারিত »

কে আজ কৌপীন পরালো তোরে

কে আজ কৌপীন পরালো তোরে তার কি দয়া-মায়া কিছু নাই অন্তরে ।।   একা পুত্র তুই রে নিমাই অভাগিনীর আর কেউ নাই কীদোষে আমার ছেড়ে রে নিমাই ফকির হলি এমন বয়সে রে ।।   মনে ইহা ছিল তোরি হবি রে নাচের ভিখারী তবে কেন বিয়ে করলি পরের মেয়ে কেমনে আজ আমি রাখব তারে ।।   ত্যাজ্য করে পিতামাতা কী ধর্ম আজ জানবি কোথা মায়ের কথায় চল কৌপীন খুলে ফেল লালন

বিস্তারিত »

কৃষ্ণপদ্মের কথা কর রে দিশে

কৃষ্ণপদ্মের কথা কর রে দিশে রাধাকান্তি পদ্মের উদয় হয় মাসে মাসে ।।   না জেনে সেই যোগ নিরূপণ রসিক নাম সে ধরে কেমন অসময় চাষ করলে তখন কৃষি হয় কিসে ।।   সামান্যে বিশ্বাস যার বিশ্বাসে লয়ে ধর অমূল্য ফুল পেতে পার তাহে অনায়াসে ।।   শুনতে নাই আন্দাজি কথা বর্তমানে জানো হেথা লালন কয় সে জন্মলতা দেখ রে বাহুঁশে ।।

বিস্তারিত »

কৃষ্ণ বলে শোন গোপীগণ

কৃষ্ণ বলে শোন গোপীগণ বসন চুরি করে কি কারণ আমার সত্য কর না পালন ।।   এখন কেন কর ছলনা রাঁধে তোমার বসন দেব না তোমার মধ্যে আছে শ্রীমতী শোন কি গতিতে হবে মিলন ।।   প্রেমে মত্ত হয়েছি তাতে তুমি যারে পার মিলাইতে শোন লো বৃন্দেদ্যুতি যার বসন তাকে দেব খুশি হয়ে মন ।।   গোপীরা যখন উলঙ্গিনী হয় তাই কি আর প্রাণে সয় ময়ুর যেমন মেঘ দেখে খুশি

বিস্তারিত »

কুলের বউ ছিলাম বাহির হলাম ন্যাড়ি ন্যাড়ার সাথে

কুলের বউ ছিলাম বাহির হলাম ন্যাড়ি ন্যাড়ার সাথে কুলের আচার কুলের বিচার আর কি ভুলি সেই ভোলাতে ।।   ভাবের ন্যাড়ি ভাবের ন্যাড়া কুল নাশালাম জগত জোড়া করণ তার উল্টো দাঁড়া বিধির ফাঁড়া কাটবে যাতে ।।   হয়েছিলাম ন্যাড়ার ন্যাড়ি পরনে পড়েছি ধড়ি দেব না আচার কড়ি বেড়াব চৈতন্য পথে ।।   আসতে ন্যাড়া যেতে ন্যাড়া দুদিন কেবল মোড়া জোড়া লালন কয় আগাগোড়া জানিয়ে মাথা হয় মুড়াতে ।।

বিস্তারিত »

কীর্তিকর্মার খেলা কে বুঝরতে পারে

কীর্তিকর্মার খেলা কে বুঝরতে পারে যে নিরঞ্জন সে-ই নূরনবী নামটি ধরে ।।   চারেতে নাম আহাম্মদ হয় মিম হরফ তার নফি কেন কয় এই কথাটি জানব কোথায়  নিশ্চিত করে ।।   গঠিতে সাঁই দয়াল সংসার এক দেহে দুই দেহ হয় তার আহাদ আহাম্মদের বিচার দেখ বিচারে ।।   এ কথার মর্ম কাহারে শুধাই ফ্যাসাদ ঝগড়া বাঁধায় সবাই  লালন বলে স্থুল ভুলে যাই তার তোড়ে রে ।।

বিস্তারিত »

কী শোভা দ্বিদলময়

কী শোভা দ্বিদলময় মনমোহিনী রূপ ঝলক দেয় ।।   কিবা সে রূপের বাখানি লক্ষ লক্ষ চন্দ্র জিনি ফণি মণি সৌদামিনী সে রূপের তুলনা নয় ।।   সহজ সুরসের গোরা রসে ফুল আছে ঘেরা কিরণে চমকে পারা দ্বিদল ব্যাপিত হয় ।।   সেরূপ জাগে যার নয়নে কী কাজ তার বেদ অধ্যয়নে দীনের অধীন লালন ভনে রসিক হলে জানা যায় ।।

বিস্তারিত »
শেয়ার করুন

You cannot copy content of this page

ভিক্ষার ঝুলি

ওয়েবসাইটের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখতে অনুদান পাঠাতে পারেন।

 +৮৮০১৮৪৯৬১৫০৩৫

 +৮৮০১৮৪৯৬১৫০৩৫-৫